• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

খাবার জোগাড় করতে না পেরে ৫ সন্তানকে নদীতে ফেললেন মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ১৩ এপ্রিল ।। ভারতে চলছে ২১ দিনের লকডাউন। এ অবস্থায় গোটা এপ্রিল মাস জুড়েই লকডাউন অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে। কিন্তু এ অবস্থায় বিপদে পড়েছেন দেশের দিনে আনা দিনে খাওয়া মানুষগুলো। এমনি এক অসহায় পরিবারের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো।

জানা যায়, লকডাউনের সময় ঘরে খাবার না থাকায় পাঁচ সন্তানকে নদীতে ফেলে দিয়েছেন অসহায় এক মা।

গত রোববার ভারতের উত্তরপ্রদেশের ভাদোলি জেলায় ঘটেছে এই মর্মান্তিক ঘটনা।

ঘটনার খবর পেয়ে ইতিমধ্যে ওই অঞ্চলের পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। ওই পাঁচ শিশুকে উদ্ধার করতে গঙ্গায় শুরু হয়েছে তল্লাশি। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত একজন শিশুকেও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ।

জানা যায়, অভিযুক্ত ওই নারী একজন দিনমজুর। লকডাউনের ফলে উপার্জন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় তার। যেটুকু সঞ্চিত অর্থ ও খাবার ছিল তাও শেষ হয়ে যায়। ফলে সন্তানদের নিয়ে অনাহারে দিন কাটছিল তার। ক্ষুধার্ত সন্তানদের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে শেষমেষ রোববার তিনি তাদের গঙ্গার জলে ফেলে দেন।

এদিকে, লকডাউনের মধ্যেও ভারতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বেড়েই চলেছে। রোববারও সেখানে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৭৫৯ জন। ফলে সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৯ হাজার ২০৫য়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনায় মারা গেছেন মোট ৩০৮ জন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ